সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ে ১০ টি জরুরি টিপসঃ আপনার ইমেল এড্রেস, ক্রেডিট কার্ড নাম্বার, পাসপোর্ট নাম্বার, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নাম্বার, আইডি কার্ড নাম্বার, ড্রাইভিং লাইসেন্স নাম্বার ইত্যাদি শেয়ার থেকে বিরত থাকুন। আপনার সকল অ্যাকাউন্ট এর ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড একই না রেখে ভিন্ন ভিন্ন রাখেন। যাতে একটি অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলেও সমস্ত অ্যাকাউন্ট এক সাথে হ্যাক না হয়। অত্যন্ত ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার থেকে বিরত থাকুন। আপনার ব্যবসায়িক তথ্য লেন-দেনের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করুন। সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনার স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা সবার জন্য উন্মুক্ত রাখবেন না। সোশ্যাল মিডিয়াতে অপনিন্দা এবং অপপ্রচার থেকে বিরত থাকুন। অপরিচিত ওয়েবসাইট ভিজিট এবং সেখান থেকে ফ্রী সফটওয়্যার ডাউনলোড থেকে বিরত থাকুন। ইন্টারনেটে ডকুমেন্ট শেয়ারের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র বাছাইকৃত মানুষদের দেখার সুযোগ দিন। রেস্টুরেন্ট ও পাবলিক প্লেস গুলোতে পাবলিক ওয়াই-ফাই কানেক্ট হওয়া থেকে বিরত থাকুন। কোন ওয়েবসাইটে লগইন বা রেজিস্ট্রেশন করার সময় দেখে নিন সাইটটি সিকিউর কিনা অর্থাৎ HTTPS ব্যবহার করছে কিনা। সাইবার সিকি...
ফেসবুকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয় তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণের অভিযোগ বেশ পুরাতন।বিভিন্ন সময় ছোট ছোট আপডেটের মাধ্যমে এবং নতুন নতুন পলিসি ডকুমেন্টের সাহায্যে বৈধভাবে (!) ফেসবুক হাতিয়ে নিচ্ছে ব্যবহারকারীদের তথ্য। ঠিক এমনই একটি পলিসির মাধ্যমে ফেসবুক সংগ্রহ করছে গ্রাহকের একান্ত ব্যক্তিগত তথ্য। “Off-Facebook Activity” নামের এই পলিসি গ্রাহকের এপ ইউজ ডাটা, ব্রাউজিং ডাটা, সার্চ হিস্টোরি থেকে শুরু করে অনেক গোপনীয় তথ্যই সংরক্ষন করে রাখছে ফেসবুকে। এই ফিচার সম্পর্কে আসুন দেখি ফেসবুক কি বলেঃ
“Off-Facebook activity includes information that businesses and organizations share with us about your interactions with them, such as visiting their apps or websites.”
আপাদদর্শনে খুব নিরীহ একটি স্টেটমেন্ট যেখানে বলা আছে বিভিন্ন ব্যাবসা ও প্রতিষ্ঠান তাদের সাথে গ্রাহকের যোগাযোগের একটি তথ্য ফেসবুককে প্রদান করে। এবার আরেকটু ভেতরে গেলেই বেড়িয়ে আসে অন্য কথা।
অর্থাৎ আপনার ফোনের কার্যকলাপ যেমন, কোন এপ কতটুকু ব্যবহার করছেন (যেখান থেকে আপনার এপ প্রিফারেন্স জানা যাবে), কোন কোন কন্টেন্ট দেখছেন, কি কি কিওয়ার্ড সার্চ করছেন, কি শপিং করছেন, কি কি আইটেম শপিং কার্টে রেখেছেন কিন্তু এখনো অর্ডার দেননি, কোথাও ডোনেশন দিচ্ছেন কিনা এমন সব তথ্যই থাকছে ফেসবুকের কাছে।
এখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসবে, এসব তথ্য দিয়ে ফেসবুক কি করে? সে জবাবটাও তাদের কাছ থেকেই দেখিঃ
এখানেও দেখা যাচ্ছে বেশ নিরীহদর্শন কথাবার্তা। শুধুমাত্র শেষ পয়েন্টটা বাদে। সন্দেহজনক কার্যকলাপ সনাক্ত করার অর্থই হচ্ছে ব্যবহারকারীর সকল তথ্য মনিটর করা। যেটা ফেসবুক করছে।
এ থেকে মুক্তির উপায় কি? আসুন ধাপে ধাপে জেনে নেই কিভাবে এই ফিচারটি অফ রাখবেন আপনার স্মার্টফোনেঃ
ধাপঃ ০১- আপনার হোমপেজের শেষ আইকনটি ক্লিক করুন (লাল দিয়ে চিহ্নিত)
Comments
Post a Comment